Responsive Ads Here

Monday, January 11, 2016

সেপ্টেম্বর অন যশোররোড


অ্যালেন গিন্সবার্গ কবিতার বাংলাঅনুবাদ।

শত শত চোখ আকাশটা দেখে, শত শত শত মানুষের দল,যশোর রোডের দুধারে বসত বাঁশের ছাউনি কাদামাটি জল।
কাদামাটি মাখা মানুষের দল, গাদাগাদি করে আকাশটা দেখে,আকাশে বসত মরা ইশ্বর, নালিশ জানাবে ওরা বল কাকে।
ঘরহীন ওরা ঘুম নেই চোখে, যুদ্ধে ছিন্ন ঘর বাড়ী দেশ,মাথার ভিতরে বোমারু বিমান, এই কালোরাত কবে হবে শেষ।
শত শত মুখ হায় একাত্তর যশোর রোড যে কত কথা বলে,এত মরা মুখ আধমরা পায়ে পূর্ব বাংলা কোলকাতা চলে।
সময় চলেছে রাজপথ ধরে যশোর রোডেতে মানুষ মিছিল,সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, গরুগাড়ী কাদা রাস্তা পিছিল
লক্ষ মানুষ ভাত চেয়ে মরে, লক্ষ মানুষ শোকে ভেসে যায়,ঘরহীন ভাসে শত শত লোক লক্ষ জননী পাগলের প্রায়।
রিফিউজি ঘরে খিদে পাওয়া শিশু, পেটগুলো সব ফুলে ফেঁপে ওঠে
এইটুকু শিশু এতবড় চোখ দিশেহারা মা কারকাছে ছোটে।
সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, এত এত শুধু মানুষের মুখ,যুদ্ধ মৃত্যু তবুও স্বপ্ন ফসলের মাঠ ফেলে আসা সুখ।
কারকাছে বলি ভাতরূটি কথা, কাকে বলি করো, করো করো ত্রান,কাকে বলি, ওগো মৃত্যু থামাও, মরে যাওয়া বুকে এনে দাও প্রান।
কাঁদো কাঁদো তুমি মানুষের দল তোমার শরীর ক্ষত দিয়ে ঢাকা,জননীর কোলে আধপেটা শিশু একেমন বাঁচা, বেঁচে মরে থাকা।
ছোটো ছোটো তুমি মানুষের দল, তোমার ঘরেও মৃত্যুর ছায়া,গুলিতে ছিন্ন দেহ মন মাটি, ঘর ছেড়েছোতো মাটি মিছে মায়া।
সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, ঘর ভেঙে গেছে যুদ্ধের ঝড়ে,যশোর রোডের দুধারে মানুষ এত এত লোক শুধু কেনো মরে।
শত শত চোখ আকাশটা দেখে, শত শত শত শিশু মরে গেল,যশোর রোডের যুদ্ধ ক্ষেত্রে ছেঁড়া সংসার সব এলোমেলো
কাদামাটি মাখা মানুষের দল, গাদাগাদি করে আকাশটা দেখে,আকাশে বসত মরা ইশ্বর, নালিশ জানাবে ওরা বল কাকে।
ঘরহীন ওরা ঘুম নেই চোখে, যুদ্ধে ছিন্ন ঘর বাড়ী দেশ,মাথার ভিতরে বোমারু বিমান, এই কালোরাত কবে হবে শেষ।
শত শত মুখ হায় একাত্তর যশোর রোড যে কত কথা বলে,এত মরা মুখ আধমরা পায়ে পূর্ব বাংলা কোলকাতা চলে,এত মরা মুখ আধমরা পায়ে পূর্ব বাংলা কোলকাতা চলে॥

বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজ বাংলা সাহিত্য নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব। যারা চাকরির জন্য প্রচুর পড়ালেখা করেন তারা খুবই উপকৃত হবেন আশাকরি এই পোষ্টটি পড়ে।

  • রোমান অক্ষরে মুদ্রিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হল পর্তুগীজ বাংলা ব্যাকরণ। (ম্যানুয়েল দ্য আসুস্মসাঁও, ১৭৪৩)
  • ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হল A Grammar of Bengali Language. এন. বি, হ্যালহেড, ১৭৭৮
  • বাঙালির লেখা ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ -- গৌড়িয় ব্যাকরণ, রাজা রামমোহন রায়, ১৮২৬।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতিকাব্য স্বপ্ন দর্শন । বিহারীলাল চক্রবর্তী। ১৫৫৮।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্য সংকলন- প্রাচীনতম ও প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ।
  • বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। বড়ু চন্ডীদাস।
  • ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বই কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। ম্যানুয়েল দ্য আসুস্মসাঁও । ১৭৩৪।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত বই কথোপকথন। উইলিয়াম কেরি। ১৮০১।
  • বাঙালির লেখা বাংলা অক্ষরে প্রথম মৌলিক গ্রন্থ -- জীবন গ্রন্থ। রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত।
  • বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ বঙ্গ ভাষা ও সাহিত্য।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম ত্রয়ী মহাকাব্য রচনাকারী নবীন চন্দ্র সেন।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য মেঘনাদ বধ। মাইকেল মধুসুধন দত্ত। ১৮৬১।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান ইউসুফ জুলেখা। শাহ মুহম্মদ সগীর।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল। প্যারিচাঁদ মিত্র। ১৮৫৮।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশ নন্দিনী। বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১৮৬৫।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমানটিক উপন্যাস কপাল কুন্ডলা। ১৮৬৬।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাটক ভদ্রার্জুন। তারাচরণ শিকদার। ১৮৫২।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক নাটক কুলীন কুল সর্বস্ব। রামনারায়ন তর্করত্ন। ১৮৫৪।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডী নাটক কৃষ্ণকুমারী। মাইকেল মধুসুধন দত্ত। ১৮৬১।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রহসন নাটক - একেই কি বলে সভ্যতা ও বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক নাটক শর্মিষ্ঠা। মাইকেল মধুসুধন দত্ত। ১৮৫৮।
  • ১৯ শতকের প্রথম মুসলিম গদ্য লেখক খন্দকার শামসুদ্দীন মুহম্মদ সিদ্দিকী।
  • কাব্য রচনাকারী প্রথম মুসলিম কবি মোজাম্মেল হক। 
  • প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
  • রোমানটিক প্রণোয়পাখ্যানের প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার মীর মোশাররফ হোসেন।
  • বাঙলি মুসলমান রচিত প্রথম উপন্যাস রত্নাবলী। মীর মোশাররফ হোসেন। ১৮৬৯।
  • বাঙালি মুসলমান রচিত প্রথম নাটক বসন্ত কুমারী। মীর মোশাররফ হোসেন। ১৮৭৩।
  • বাঙালি মুসলমান রচিত প্রথম গদ্য মহাকাব্য বিষাদসিন্দু। মীর মোশাররফ হোসেন। ১৮৯১।
  • বাঙালি মুসলমান রচিত প্রথম মহাকাব্য মহাশ্মশান । কায়কোবাদ ১৯০৪।
  • বাংলা মাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা কবি মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা গদ্য লেখিকা বিবি তাহেরননেছা।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা ঔপন্যাসিক বিবি তাহেরননেছা।
  • বাংলা সাহিত্যের পথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী।
  • বাংলা ভাষায় প্রথম ইসলামী গান ও গজল রচনাকারী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
  • বাংলা সাহিত্যের অন্যতম  শ্রেষ্ঠ রম্যরচনাকারী ও অনন্য গদ্যশৈলীর স্রষ্টা সৈয়দ মুজতবা আলী।
  • বাংলা সাহিত্যে প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহারকারী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
  • বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী প্রমথ চৌধুরী।
  • বাংলা ভাষার আদি কবি লুইপা।
  • পুঁথি সাহিত্যের প্রতম স্বার্থক কবি ফকির গরীবুল্লাহ।
  • পদাবলীর প্রথম কবি চন্ডীদাস।
  • পুঁথি সাহিত্যের প্রচীনতম লেখক সৈয়দ হামজা।
  • আধুনিক গীতিকাব্যের প্রথম সচেতন কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতিকবি বিহারীলাল চক্রবর্তী।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক বোধ সম্পন্ন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
  • বাংলায় প্রথম সনেট রচনাকারী/ প্রথম মহাকাব্য রচনাকারী মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
  • সম্পূর্ণ বাংলা অক্ষরের নকশা প্রস্তুত করেন চার্লস উইল কিনস্ ।
  • বাংলা অক্ষর প্রথম খোদাইকারী পঞ্চানন কর্মকার।
  • বাংলায় রামায়নের প্রথম অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা এবং মহিলা চন্দ্রাবতী।
  • বাংলায় মহাভারত এর প্রথম অনুবাদক কাশীরাম দাস।
  • উপমহাদেশের প্রথম সংবাদপত্র বেঙ্গল গেজেট।
  • বাংলায় প্রকাশিত প্রথম সামযিকী দিকদর্শন, সম্পাদক জন ক্লার্ক মাশম্যান। ১৮১৮।
  • মুসলমান সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা সমাচার সভারাজেন্দ্র, সম্পাদক শেখ আলীমুল্লাহ। ১৮৩১।
  • বাংলায় মুসলমানদের প্রথম দৈনিক পত্রিকা আজাদ, সম্পাদক মুহাম্মদ আকরাম খাঁ। ১৯৩৫।
  • বাংলায় প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা সমাচার দর্পণ। সম্পাদক উিইলিয়াম কেরী। ১৮১৮।

খাদ্য গুনাগুণ বিচার :


আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন প্রকার খাদ্য খেয়ে যাচ্ছি। আবার অনেক সময় পুষ্টি গুন বিচার নানারকম খাবার ও খাদ্য খাওয়ার চেষ্টা করছি। হয়ত উপকৃত হচ্ছি আবার হচ্ছি না। কিন্তু আমরা যদি জানতে ও বুঝতে পারি যে কোন খাদ্যে কোন গুণ বা পুষ্টি আছে তাহলে খুব সহজে আমরা প্রয়োজন মত খাদ্য সংগ্রহ করতে ও খেতে পারব। সে জন্য আসুন কোন খাদ্যে কোন গুন আছে তা জেনে নিই :
  • পুঁটিমাছ- চক্ষুরোগ নাশক, শুক্রবৃদ্ধিকারক।
  • পান- মুখের দুর্গন্ধনাশক।
  • পানিফল - বলকারক, রক্তজনক, পিত্তনাশক।
  • বাদাম - বায়ুপিত্ত নাশক, শুক্র ও বলবৃদ্ধিকারক।
  • পাকা বেল - মলরোধক, আমরোগ উপশম।
  • মানকচু - পুষ্টিজনক, শোথনাশক।
  • মূলা - ত্রিদোষনাশক।
  • লাউ - ধাতুপুষ্টি, পিত্তশ্লেম্মানাশক।
  • লঙ্কা - অগ্নিকর, অজীর্ন, বেশি খাওয়া আরও ক্ষতিকর।
  • সরিসা তেল - বদেনানাশক, অম্লদায়ক।
  • সন্ধব লবন - ত্রিদোষনাশক, বলকারক, চক্ষহিতকর।
  • জোয়ান - কৃমিনিবারক, কুষ্ঠনাশক, পরিপাচক।
  • লবঙ্গ - বমি, ক্ষয়রোগ নিবারক।
  • নিম - কুষ্ঠনাশক, জ্বররক্তদোষনাশক, মলরোধক।
  • হলুদ - কৃমি, কুষ্ঠ, রক্তদোষনাশক মলরোধক।
  • হরিতকি - অর্শ, শোথ, পিত্তশুল ও বমননাশক।
  • আমলকি - হিক্কা, শ্বেতপ্রদর, পিত্তশুল ও বমননাশক।
  • পাকা আম - শুক্রবৃদ্ধিকারক, বায়ুনাশক, বলকারক।
  • আদা - বাত, কফ, পিত্তনাশক।
  • ছোট এলাচ - শ্বাস, কাশি ও কফনাশক।
  • কিসমিস - পুষ্টিকর পিত্তনাশক।
  • ইলিশ মাছ - বায়ুনাশক।
  • খাশির মাংস - মেদ ও চর্বিবর্ধক।
  • কচ্ছপের মাংস - চক্ষুহিতকর, বল ও শুক্রবৃদ্ধিকারক।
  • কলা - বলশুক্রবৃদ্ধিকারক শীতল।
  • খই - কোষ্ঠ পরিষ্কারক, বলবর্ধক।
  • গম - রুচি , পিত্তনাশক, বলকারক।
  • ঘি - বায়ু , পিত্তনাশক।
  • গাজর - বল, শ্লেম্মা ও অর্শনাশক।

ভাষা হোক উন্মুক্ত

রাতে গাছের নিচে ঘুমাতে নেই কেন

আমরা হয়তো অনেকেই জানি যে রাতে গাছের নিচে ঘুমাতে নেই। কিন্তু এর সুনির্দিষ্ট কারণ হয়তো অনেকের জানা নেই, এমন কি বৈজ্ঞানিক ভিত্তিটাও হয়তো অনেকের জানা নেই। দিনের বেলায় গাছের নিছে ঘুমাতে তেমন কোন বিধিনিষেধ নেই। আমরা জানি যে প্রতিটি প্রাণীর মত গাছও দিন-রাত ধরে শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ে থাকে এবং অক্সিজেন গ্রহন করে এবং কার্বনডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। কিন্তু াদনের বেলায় ইহা ছাড়া সালোকসংশ্লেষণ প্রথা চলে, যার মাধ্যমে গাছ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে এবং উপজাত পদার্থ হিসেবে অক্সিজেন এবং পানি বিমুক্ত করে।

তাই রাতের বেলায় গাছের নিছে শুয়ে থাকলে শ্বাস প্রশ্বাসের কষ্ট শুরু হয়ে যাবে। কারণ সেখানে অক্সিজেন ক্রমশ কমতে থাকে, যেহেতু গাছ নি:শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহন করে । অপরদিকে গাছ কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে, যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। সেজন্যই রাতে গাছতলায় ঘুমাতে নেই।

দিনের বেলায় শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে যেমন র্কাবন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়, তেমনি সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেনও নির্গত হয়। এর ফলে দিনে আমাদের শরীরের বিশেষ কোনো ক্ষতি হয় না।

Sunday, January 10, 2016

বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে বিসিএস পরিক্ষার্থী কে যা জানা প্রয়োজন

গণ-পরিষদ আদেশ জারি হয়—  ২৩ মার্চ ১৯৭২ 

গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে –  ১০ এপ্রিল ১৯৭২  
গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি— মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান —  ড. কামাল হোসেন

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা — ৩৪ জন

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য — বেগম রাজিয়া বানু

প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক —  আব্দুর রউফ

'খসড়া সংবিধান' গণ-পরিষদে উত্থাপন—  ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 

'খসড়া সংবিধান' গণ-পরিষদে গৃহীত —  ৪ নভেম্বর ১৯৭২ 

সংবিধান কার্যকর হয় —  ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ 

সংবিধান দিবস — ৪ নভেম্বর

সংবিধানের প্রস্তাবনা —১ টি

সংবিধানের মূলনীতি — ৪ টি

সংবিধানের তফসিল — ৭ টি

সংবিধানের অধ্যায় বা বিভাগ — ১১টি

সংবিধানের ধারা বা অনুচ্ছেদ — ১৫৩টি

বর্তমান সংবিধানের ৪টি মূলনীতি —  ধর্ম নিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র

সংবিধানে 'শিক্ষার অধিকার' নিশ্চিত করা হয়েছে —১৭নং অনুচ্ছেদে

'ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান' উল্লেখ আছে— ৭৭নং অনুচ্ছেদে

বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম 'ইসলাম' সংবিধানের বলা হয়েছে—২ (ক) অনুচ্ছেদ

সংবিধানের 'আমার সোনার বাংলাকে' জাতীয় সংগীতের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে— ৪ নং অনুচ্ছেদ

'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী' সংবিধানের — ২৭ নং অনুচ্ছেদ

'রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষ সমান অধিকার' নিশ্চিত করা হয়েছে — ২৮ (২) অনুচ্ছেদ

সংবিধানের 'সংবাদপত্রের স্বাধীনতা'র নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়— ৩৯ (২) খ অনুচ্ছেদ

সংবিধানের 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার কথা বলা হয়েছে— ১৪১ (ক) অনুচ্ছেদ

সংবিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছে— হাইকোর্টকে

বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক — সুপ্রিমকোর্ট

সংবিধান সংশোধন করা হয় —  ১৪২নং অনুচ্ছেদের মাধ্যমে

সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়— দুই-তৃতীয়াংশ

সংবিধান সংশোধনের বিল রাষ্ট্রপতি পাস করেন— ৭ দিনের মধ্যে

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে — ১৫ বার

প্রথম সংশোধনীর জাতীয় সংসদে গৃহীত—  ১৫ জুলাই ১৯৭৩

প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু—  যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য গণবিরোধীদের বিচারের বিধান করা

বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটে— ৬ আগস্ট ১৯৯১

অষ্টম সংশোধনীর বিষয়বস্তু — রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের স্বীকৃতি

দ্বাদশ সংশোধনী বিল পাস হয় — ৬ আগস্ট ১৯৯১

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু — সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃ প্রবর্তন 

ত্রয়োদশ সংশোধনীর জাতীয় সংসদে গৃহীত — ২৭ মার্চ ১৯৯৬

ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু — তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয় — ৩০ জুন ২০১১

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় — পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে

পঞ্চদশ সংশোধনীর পর বর্তমানে রাষ্ট্রপতিতে শপথ পড়ান — স্পিকার

সংগৃহীত - দৈনিক ইত্তেফাক (রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৩)

তথ্য ও প্রযুক্তি -বি সি এস

০১.প্রথম ৩-এ প্রযুক্তি চালু করে— জাপান

০২.প্রথম ৪-এ প্রযুক্তি চালু করে— দক্ষিণ কোরিয়া

০৩.বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ— চীন

০৪.তারবিহীন টেলিফোন ব্যবহারে শীর্ষ দেশ—চীন

০৫.তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেটে উপযোগী— ওয়াইম্যাক্স

০৬.দ্রুতগতি সুপার কম্পিউটার—টাইটান (যুক্তরাষ্ট্র)

০৭.প্রথম স্মার্টফোনের নাম— IBM Simon (১৯৯৩)।

০৮.ক্যাসপারস্কি— কম্পিউটারে ব্যবহূত অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার

০৯.ব্লগ (Blog)—অনলাইন জার্নাল বা ওয়েবসাইট

১০.ফ্লিকার (Flicker)— ছবি শেয়ারিং সাইট

১১.স্পাম (Spam)— অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল

১২.বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নামথ— গ্রিড কম্পাস

১৩.e-book-এর জনক— মাইকেল স্টার্ন হার্ট

১৪.গুটেনবার্গ প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা— মাইকেল স্টার্ন হার্ট

১৫.বাংলাদেশে e-book-এর কার্যক্রম শুরু — ২৪ এপ্রিল ২০১১

১৬.বর্তমানে বায়ুবিদ্যুত্ উত্পাদনে শীর্ষ দেশ—যুক্তরাষ্ট্র

১৭.হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে— ২০৬২ সালে

১৮.মহাকাশে প্রথম বেসরকারি নভোযান উেক্ষপণ করে— যুক্তরাষ্ট্র

১৯.মহাকাশে প্রথম বেসরকারিভাবে উেক্ষপিত নভোযানথ— ড্রাগন

২০.সূর্য সোলার সুনামি সৃষ্টি করে— গড়ে ১১ বছর পরপর

২১.বর্তমান বিশ্বে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা— ১১৪টি

২২.ফরমালিনের রাসায়নিক নাম— ফরমালডিহাইড

২৩.সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে— ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড

২৪.হ্যালির ধূমকেতু দেখা যায়— ৭৬ বছর পর পর

২৫.গ্রিনিচ সময়ের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য— +৬ ঘণ্টা